রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুনানি শুরু হয়েছে। সোমবার সকালে কারাগার থেকে আদালতে আনা হলে প্রধান আসামি সোহেল রানা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে হত্যার দায় অন্যের ওপর চাপানোর চেষ্টা করে। সে দাবি করে, “আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার” এবং মিরপুরের এক ধনী ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে।
তদন্ত কর্মকর্তা ইতোমধ্যে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন, যেখানে সোহেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার এবং স্বপ্নার বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষী রাখা হয়েছে। আদালতে চার্জগঠন শুনানি শুরু হওয়ায় প্রাথমিক তদন্ত, ডিএনএ পরীক্ষা, অভিযোগপত্র দাখিল ও আদালতে আমলে নেওয়ার ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়েছে। তবে আইনজীবীরা মনে করছেন, রায় কার্যকর করতে উচ্চ আদালতের প্রক্রিয়া ও ডেথ রেফারেন্সসহ বিভিন্ন ধাপ শেষ করতে সময় লাগতে পারে। শিশু রামিসার নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আসামির দায় এড়ানোর চেষ্টা জনমনে আরও ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
এই মামলাটি শিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, এবং সমাজে অপরাধ দমন নিশ্চিত করার গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

