বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের লিখিত অনুমতি পেয়েছে দলটি। রোববার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, যুক্তরাজ্যের লন্ডনে দীর্ঘদিন অবস্থানের পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন তারেক রহমান। এই প্রত্যাবর্তনকে বিএনপি তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করছে এবং সে কারণেই ব্যাপক আয়োজনের মাধ্যমে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ব্যক্তি ও কোম্পানি করদাতাদের আয়কর, ভ্যাট এবং ব্যবসায়িক বিষয়ক পরামর্শ, আয়কর রিটার্ন দাখিল ও প্রশিক্ষণ সেবা প্রদান করে। http://taxvatbusiness.tch24.com http://facebook.com/TVBC20
শায়রুল কবির খান বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তর থেকে লিখিত অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে এ-সংক্রান্ত অনুমতিপত্র পাঠান। পরে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্টাফ জাহিদ হোসেন রাজধানীর নয়াপল্টনে অবস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠিটি পৌঁছে দেন। সেখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দপ্তর দায়িত্বপ্রাপ্ত সাত্তার পাটোয়ারী চিঠিটি গ্রহণ করেন।
দলীয় সূত্র জানায়, তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা ও আবেগ বিরাজ করছে। দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে অবস্থানের পর তাঁর ফিরে আসা বিএনপির রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে মনে করছেন দলটির নেতারা। তারা মনে করছেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিএনপি নতুনভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবে।
বিএনপির নেতারা আরও বলছেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রেখে আয়োজন করা হবে। এ জন্য দলের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সব কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের শালীন আচরণ ও নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সার্বিকভাবে, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং তাঁকে ঘিরে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে বিএনপি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছে।

