খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব: যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর হয়ে পড়ছে বাংলাদেশের এলপিজি আমদানি

Mahir Alam
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব: যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর হয়ে পড়ছে বাংলাদেশের এলপিজি আমদানি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির উৎসে বড় পরিবর্তন এসেছে। আগে ওমান, ইরাক ও সৌদি আরবের মতো দেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলপিজি আমদানি করা হলেও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা অনেক বেড়েছে।


বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে দেশের মোট এলপিজি আমদানির প্রায় ৮৫ শতাংশ এসেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সরবরাহকারীদের কাছ থেকে। অথচ ২০২৫ সালের একই সময়ে এই হার ছিল মাত্র ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ থেকে আমদানি প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে।


যুক্তরাষ্ট্র থেকে দীর্ঘ সমুদ্রপথে এলপিজি পরিবহন করতে হওয়ায় জাহাজভাড়া, বিমা ও আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগে প্রতি টন পরিবহনে প্রায় ৮২ ডলার খরচ হলেও বর্তমানে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা ২৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে। পাশাপাশি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতি টনে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৩৫০ ডলার প্রিমিয়াম দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।


বিশেষজ্ঞদের মতে, বিকল্প সরবরাহকারী সীমিত থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বর্তমানে দেশের প্রায় এক কোটি গ্রাহক রান্নার কাজে এলপিজি ব্যবহার করেন। তাই আমদানি ব্যয় ও সরবরাহে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে এর প্রভাব স্থানীয় বাজার এবং সাধারণ ভোক্তাদের ওপর পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।


এ পরিস্থিতিতে বিকল্প দেশ থেকে এলপিজি আমদানি, দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি এবং আমদানির উৎস বহুমুখী করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

advertisement
advertisement

বিজিবির হস্তক্ষেপে কহুয়া নদীর বাঁধের কাজ স্থগিত করল ভারত

Naim Hossan
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ
বিজিবির হস্তক্ষেপে কহুয়া নদীর বাঁধের কাজ স্থগিত করল ভারত

ফেনীর পরশুরাম সীমান্তসংলগ্ন কহুয়া নদীর ভারতীয় অংশে বাঁধের সুরক্ষায় কংক্রিটের ব্লক স্থাপনের কাজ শুরু হওয়ার পর বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, নদীর দুই পাশের বাঁধের উচ্চতা ও শক্তিমত্তায় পার্থক্য থাকলে পানির প্রবাহের চাপে বাংলাদেশের অংশে ভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

গত ৬ নভেম্বর ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিলোনিয়া-সংলগ্ন আমজাদনগর এলাকায় ব্লক স্থাপনের কাজ শুরু হয়। বিষয়টি জানার পর বিজিবি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানায়। ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিবুল ইসলাম জানান, বিজিবির উদ্যোগের পর কাজটি আপাতত স্থগিত রয়েছে।

এদিকে, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের অংশের বাঁধের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পরশুরাম উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পাউবো ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, ভারতীয় অংশে ব্লক স্থাপনের কারণে বাংলাদেশের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিজিবির সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বাংলাদেশের অংশে বাঁধের কয়েকটি জায়গা এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে উত্তর কোলাপাড়া, দক্ষিণ কোলাপাড়া ও আশপাশের জনবসতি এবং কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই তাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো দ্রুত মেরামত এবং দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

ভারতীয় অংশে কাজ স্থগিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আপাতত কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে কহুয়া নদীর বাংলাদেশের অংশের বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন জরুরি হয়ে উঠেছে। সম্ভাব্য নদীভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।

সালমানের সঙ্গে বিরোধের পর কেন থমকে যায় বিবেক ওবেরয়ের ক্যারিয়ার?

Mahir Alam
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
সালমানের সঙ্গে বিরোধের পর কেন থমকে যায় বিবেক ওবেরয়ের ক্যারিয়ার?

‘কোম্পানি’ ও ‘সাথিয়া’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে পরিচিতি পাওয়া বিবেক ওবেরয়ের ক্যারিয়ার একসময় বেশ সম্ভাবনাময় ছিল। তবে সালমান খানের সঙ্গে প্রকাশ্য বিরোধের পর তাঁর পেশাগত জীবন কঠিন হয়ে পড়ে বলে দাবি এই অভিনেতার।


সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেল রেলার্নকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিবেক অভিযোগ করেন, বলিউডের প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠী তাঁকে একঘরে করে রেখেছিল। চুক্তিবদ্ধ কয়েকটি সিনেমা থেকেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহীদের ভয় দেখানো হয়েছিল এবং কেউ কেউ আন্ডারওয়ার্ল্ডের হুমকিও পেয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।


২০০৩ সালে সংবাদ সম্মেলনে সালমান খানের বিরুদ্ধে এক রাতে ৪১ বার ফোন করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন বিবেক। সালমান সেই অভিযোগ অস্বীকার করেন। এরপর দুই অভিনেতার বিরোধ বলিউডে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।


২০০৭ সালের ‘শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা’ সিনেমার সাফল্যের পরও প্রায় ১৪ থেকে ১৫ মাস কাজ পাননি বলে জানিয়েছেন বিবেক। পরে অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসায় মনোযোগ দেন। বর্তমানে রিয়েল এস্টেট ও ল্যাব-গ্রোন ডায়মন্ডের ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত তিনি।


বিবেকের ভাষ্য, অভিনয় তাঁর ভালোবাসা হলেও জীবিকার জন্য আর কারও প্রভাবের ওপর নির্ভর করতে চান না।

উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসছে শীতের আভাস, সামনে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা

Naim Hossan
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসছে শীতের আভাস, সামনে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা

দেশের উত্তরাঞ্চলে ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করেছে আবহাওয়া। রাতের শেষ ভাগ ও ভোরে তাপমাত্রা কমে আসার পাশাপাশি কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। শীতল বাতাসে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় শীতের উপস্থিতি টের পাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েক দফা মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে। জানুয়ারিতে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

আবহাওয়ার এমন পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন নিম্নআয়ের মানুষ, কৃষিশ্রমিক, শিশু ও প্রবীণরা। ভোরে কাজে বের হওয়া শ্রমজীবী মানুষের জন্য ঠান্ডা বাতাস ও কুয়াশা বাড়তি দুর্ভোগ তৈরি করতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে চলাচলেও সতর্কতা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, শীতকালীন ফসলের ওপর তাপমাত্রার ওঠানামা ও কুয়াশার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে কৃষকদের জমির নিয়মিত পরিচর্যা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের শীত মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দেখা দিয়েছে।

আগামী কয়েক সপ্তাহে তাপমাত্রার পরিবর্তন ও কুয়াশার বিস্তার কেমন হয়, তার ওপর নির্ভর করবে শীতের প্রকৃত তীব্রতা। তাই আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত পূর্বাভাসের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।