দেশে সাম্প্রতিক সময়ে মেয়েশিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও নির্যাতনের ঘটনা বাড়তে থাকায় শিশু নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্যাতনকারীরা পরিচিত মানুষ হওয়ায় পরিবারকে আরও সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। তারা জানান, শিশুর আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন—যেমন চুপচাপ হয়ে যাওয়া, ভয় পাওয়া, নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা স্থানের কাছে যেতে না চাওয়া, দুঃস্বপ্ন দেখা কিংবা পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়া—নিরাপত্তা ঝুঁকির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর সঙ্গে খোলামেলা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি, যাতে তারা যেকোনো অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা নির্ভয়ে অভিভাবকদের জানাতে পারে। একই সঙ্গে ছোটবেলা থেকেই শিশুদের গুড টাচ ও ব্যাড টাচ সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া এবং শরীরের ব্যক্তিগত অংশ সম্পর্কে সচেতন করা প্রয়োজন।
অভিভাবকদের প্রতি পরামর্শ দিয়ে তারা বলেন, শিশু কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে এবং কী ধরনের পরিবেশে সময় কাটাচ্ছে—এসব বিষয়ে নজর রাখা জরুরি। শুধু পরিবার নয়, স্কুল, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

